১৯০০ সাল থেকে কুমিল্লার রসমালাই তৈরী হচ্ছে এই অঞ্চলে। তখন বিভিন্ন মিষ্টির দোকান বিভিন্ন ভাবে রসমালাই তৈরী করতেন। তাদের মধ্যে মাতৃ ভান্ডারের রসমালাই খুবই উন্নত মানের এবং অন্যদের চাইতে একটু আলাদাভাবে তৈরি করতেন। শংকর সেনগুপ্ত নামে একজন সেটার মুল কারিগর ছিলেন।
ছবি: রসমালাই বক্স/বাটি
তখন গোয়ালার কাছ থেকে তারা গিয়ে গিয়ে দুধ সংগ্রহ করতেন। আর তা নিয়ে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে চুলায় জ্বাল দিতেন। একসময় এই দুধ ঘন ও ছানার রুপ নেয়। এরপর এই ছানাকে ছোট ছোট দানাদার আকারে কেটে রসের মধ্যে ডুবিয়ে রেখেদিলেই রসমালাই হয়ে যায়।
ছবি: রসমালাইয়ের দানা
কিভাবে যেতে হবে: কুমিল্লা শহরে প্রবেশ করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রবেশ পথ বয়েছে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে আলেখারচর বিশ্বরোড হয়ে শাসনগাছা হয়ে কান্দির-পার হয়ে মনোহরপুর। আপনি এই পুরো রাস্তা টুকুই রিকশা যোগে যেতে পারবেন। আরেকটি রাস্তা হয়ে পদুয়ার বাজার হয়ে সোজাসুজি কান্দির-পার হয়ে মনোহরপুর।
আপনি একসাথে সর্বোচ্চ ৩ কেজি নিতে পারবেন। এর বেশি নিতে চাইলেও ওনারা নিতে দিবেন না। এর মূল কারণ হচ্ছে কেউই যেন খালি হাতে ফেরত না যায়, সবাই যেন নিতে পারেন। মাঝে মাঝে বিশেষ করে শুক্রবারে বিকেলে লোকজন অনেক বেড়ে যায়।
ছবি:ক্রেতাদের সারি/লাইন
অনেকের ধরনা রসমালাই কে একসময় ‘খিরভোগ’ বলা হতো। দুধ দীর্ঘ সময় জ্বাল দেওয়ার পর একসময় খিরে রুপান্তরিত হয়। খির শুকনো করে দুধের মালাইয়ের মধ্যে ডুবিয়ে রাখা হইতো। তখন খিরের আকার অনেকটা বড় বড় ছিলো। পরবর্তীতে শুকনো খিরের আকার ছোট ছোট করে দুধের মালাইয়ে ডুবিয়ে রসমালাই করা হতো। যা এখনও রসমালাই নামেই পরিচিত।
@TusharSuradkar
@FalguniP
@AjitThite
@TravellerG
@Shubham _waman
@Gurukrishnapriya
@Shrut19


