এ সফর টা ৩ ঘন্টায় কাভার করেছিলাম একটি রিজার্ভ ৩ চাকার বাহনে।
শুরু থেকেই বলি:
এই ঝটিকা সফর এর সম্পুর্ন প্লান ছিলো @MahabubMunna ভাই এর।
আমরা মুলত হবিগঞ্জ অন্য একটা স্পট সফর করার জন্য আগের দিন রাতে ঢাকা থেকে ট্রেনে রওনা করে শ্রীমঙ্গল যাই। শ্রীমঙ্গল গিয়ে পৌঁছে দেখি মাত্র রাত ২ঃ০০ টা বাজে, সকাল হতে আরো চার ঘন্টা বাকি এই অল্প সময়ের জন্য কোন হোটেল ভাড়া নেইনি, চিন্তা করলাম গল্প করে এই সময়টা স্টেশনে কাটিয়ে দিই।
ফজরের আজান হওয়ার পর নামাজ পড়ে আমরা বিখ্যাত পানসি হোটেলে খাওয়া দাওয়া করি, নাস্তা শেষে একটি তিন চাকার বাহন ভাড়া করি আমাদের তিনটি স্পট ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য। প্রথমে যাব লাউয়াছড়া জাতিয় উদ্যান, খুব সকালে তাপমাত্রা অনেক কম ছিল শীতে কাঁপতে ছিলাম যা আমাদের ধারণার বাইরে ছিল মাহবুব ভাই এক্সট্রা গরম কাপড় নেয়াতে শীত থেকে কিছুটা রক্ষা
খুব সকালে যাওয়ার কারণে গিয়ে দেখি লাউয়াছড়া রিজার্ভ ফরেস্ট এর মেনগেট বন্ধ, আমরা যে পথটা দিয়ে যাচ্ছি মূলত সম্পূর্ণ এলাকাটাই লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান এর ভিতর।
আমাদের দ্বিতীয় স্পট মাধবপুর লেক, আমরা সকাল ৯ টার দিকে লেকে পৌঁছে গিয়ে দেখি ওই সময় কোন পর্যটক এখনো ভিতরে প্রবেশ করেনি আমরাই এদিন এর প্রথম পর্যটক এবং ফাঁকা পেয়ে অনেক ছবি উঠাই যদিও এই লেক আমার তেমন একটা ভালো লাগেনি
এবার আমাদের তৃতীয় স্পট নুর জাহান চা বাগান। এই বিশাল চা বাগানের ভিতর দিয়ে অসম্ভব সুন্দর লেগেছে এতই সুন্দর লেগেছে যা আমার কল্পনার বাইরে এই ট্যুর টা আমার প্লানে ছিল না চিন্তা করলাম যে যেহেতু অন্য কোন জায়গায় যাচ্ছি এদিকে আর কি দেখব! কিন্তু এই তিনটা স্পট ঘুরে আসার পর, আমাদের যাওয়ার রাস্তা ফিরার রাস্তা সম্পূর্ণ এরিয়াটা আমার কাছে এত দারুণ লেগেছে যা আমার চিন্তার বাইরে ছিল আমার কাছে মনে হয়েছে খুব অল্প সময়ে শ্রীমঙ্গলের এই এরিয়াটা দেখে শেষ করা সম্ভব
এদিকে সময় ফুরিয়ে আসছে তাই আমরা শ্রীমঙ্গল শহরের দিকে ফিরতে ছিলাম, এই সময়ই চোখে পড়লো চা বাগানের ভিতর একটি চায়ের দোকান যা বিখ্যাত চাচার চায়ের দোকান নামে খ্যাত। এখান থেকে তাজা চা পাতার চা খেলাম একদম চা বাগানের ভিতর বসে
(১ম ছবি সেই চা)



