বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর উত্তর ও পশ্চিম অংশ ভারতের মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলা, পূর্বে নওগাঁ জেলা এবং দক্ষিণ-পূর্বে রাজশাহী জেলা দ্বারা বেষ্টিত
চাপাইনবয়াবগঞ্জ বর্তমানেও অনেক মহিষের গাড়ি দেখতে পাওয়া যায়। এর প্রধান কারন হলো সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় বিস্তীর্ণ বরেন্দ্রভূমি’র ফসলে মাঠ থেকে শস্য ঘরে আনার কাজে ব্যবহ্নত হয়।
বাস্তা ভড়া ধান
এই জেলায় অনেক বড় বড় ফসলের মাঠ রয়েছে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার মত পাকা রাস্তা নেই। যার ফলে বর্ষার মৌসুমে ইঞ্জিন চালিত যান সেখানে গিয়ে সুবিধে করতে পারে না। ওখানকার মাঠি অনেক আঠালো হওয়ায় চাকা আটকিয়ে যায়।
যার জন্য সবচেয়ে সুবিধা জনক বাহন হচ্ছে মহিষের গাড়ি। কাঁদা মাঠির রাস্তায় বোঝায় করা ধানের বস্তা অনায়াসে নিয়ে আসতে সক্ষম এই মহিষের গাড়ি।
যদিও এত ভাড়ি ওজনে বস্তু এই অবলা পশুদের দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া উচিৎ নয় কিন্তু কৃষকের বৃহত স্বার্থে ও পরিস্থিতি’র জন্য বাধ্য হয়েই এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়।
@SafayeatHossain ধন্যবাদ বাংলাদেশের প্রান্তিক এক এক ঐতিহ্য তুলে ধরার জন্য,
আমার খুব শখ প্রান্তিক কোন এলাকায় গিয়ে এরকম মহিষের গাড়িতে সারাদিন ঘোরাঘুরি করার যদিও এখন পর্যন্ত সেই সৌভাগ্য হয়নি ,
অনেকদিন যাবৎ যাওয়ার চেষ্টা করতেছি চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়া, ঢাকা এর বাইরে একটানা সবচেয়ে বেশি সময় আমার এই খানে থাকা হয়েছে। যাওয়া হইলে চেষ্টা করবো মহিষের গাড়িতে উঠার।
আমার বাড়িও চাঁপাইনবাবগঞ্জ। আমিও মহিষের গাড়ি দেখে বড় হয়েছি। মহিষের গাড়িতে করে বরযাত্রী হিসেবে যাওয়ার কথা এখনো আবছা আবছা মনে পড়ে। আপনার ছবির মতো ছিলো ছেলেবেলার দিনগুলো। ধন্যবাদ আপনাকে @SafayeatHossain