এপ্রিল থেকে জুন সবচেয়ে ভালো সময় দার্জিলিং ভ্রমণের জন্য। ওই সময় আবহাওয়া সবচেয়ে ভালো থাকে। অন্য সময় কখনো বৃষ্টি বা কখনো বরফ। বৃষ্টি বেশি হলে ভূমি ধ্বস হবার সম্ভাবনা থাকে; আবার বরফ বেশি হলে সম্ভাবনা থাকে দিনের পর দিন আটকে যাবার।
ঢাকা থেকে বাসে চ্যাংড়াবান্ধা ইমিগ্রেশন পয়েন্ট দিয়ে ঢুকেছিলাম। সেখান থেকে শিলিগুড়ি গিয়েছিলাম লোকাল বাসে চড়ে। শিলিগুড়িতে আমরা এক রাত ছিলাম। পরদিন সকালের রওয়ানা দিয়েছি দার্জিলিং এর উদ্দেশ্যে। ওখানে যেতে হয় পাহাড়ের চড়ার উপযোগী গাড়ি নিয়ে। মাহেন্দ্র বুলেরো বা টাটা সুমো গাড়ি দাড়িয়ে থাকে শিলিগুড়ি মোড়ে। আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে দামাদামি করে একটা গাড়ি নিয়েছিলাম। শেয়ার করেও যাওয়া যায়। শিলিগুড়ির সমতল পেরিয়ে শুরু হল আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তায় চলা হল অনেক্ষণ। পাহাড়ি রাস্তা হওয়ায় ঘুরে ঘুরে উপরে উঠতে হয়। উপরের দিকে উঠে গেলে পিছনে তাকালে রাস্তাগুলোকে নদী মনে হয়। পথে অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখতে দেখতে চলা। রাস্তার একপাশে পাহাড় অন্যপাশে নীচে গভীর খাড়া। ভয় আর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। অনেক ঘুরে অবশেষে নামিয়ে দিয়েছে মল চত্বরে। ওটাই ভাড়া গাড়ির শেষ গন্তব্য।
যেসব জায়গায় গিয়েছিলামঃ
টাইগার হিল অবজারভেটরি
রক গার্ডেন
গঙ্গা মায়া পার্ক
গুরখা ওয়ার মেমোরিয়াল, বাতাসিয়া লুপ
পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জিওলজিকাল পার্ক
তেনজিং রক এইচএমআই (টুরিস্টদের জন্য সহায়তা নিয়ে পাহাড়ে চড়ার ব্যবস্থা আছে।)
বিগ বাজার হাইপার মার্কেট
গোরখা স্টেডিয়াম
খুব সুন্দর সুন্দর চা বাগান (চায়ের দোকানগুলোতে চা কেনা যায় বিভিন্ন মানের। খুব সুন্দর প্যাকেজিং এর গিফট প্যাকও বিভিন্ন দামের আছে।)
মিরিক লেক
হিমালয়ের পাদদেশে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতের পটভূমিতে অবস্থিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এই শহরটি বৃটিশরা তাদের গ্রীষ্মকালীন অবকাশযাপন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছিল। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭,০০০ ফিট উপরে অবস্থিত। টাইগার হিল চূড়ার উচ্চতা ৮,৫০০ ফিট। শুনেছি এটা দার্জিলিং এর সর্বোচ্চ পয়েন্ট।
আবহাওয়া খুব ভালো ছিল। ময়লা হতো খুব কম কাপড়। ঘাম হয় না। প্রয়োজন হয়না বলে হোটেলের রুমে ফ্যান ছিল না। শহরটা বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। আবর্জনা চোখে পড়েনি। সব বাড়ির সামনে ফুল গাছ। উজ্জ্বল বর্ণের হরেক রঙের। মাঝে মাঝে মেঘের আলতো ছোঁয়া মুখে এসে লাগে। অসাধারন অনুভূতি।
দার্জিলিং এ যেসব ব্যাপার ভাল লেগেছেঃ
টাইগার হিল যাওয়ার সময় দেখলাম রাত তিনটায় একা মেয়েরা টুরিস্টদের গাড়িতে লিফট চাইছে। জায়গা থাকলে নেয়। নাহলে চলে যায়। ওরা স্পটে পৌছে কফি বিক্রি করে।
কোথাও রাস্তা সরু হয়ে গেলে দুটো গাড়ি মুখোমুখি হয়ে গেলে যার পিছনে যাবার কথা সে নিজেই পেছনে চলে যায় কিছু বলতে হয় না।
সবাই মৃদু স্বরে কথা বলে। অযথা চিৎকার করে না।
জোরে হর্ন বাজায়না। অকারণে ও বাজায় না।
মিছিল দেখেছি। মৃদু আওয়াজ। কোন আক্রমণাত্বক আচরণ নেই।
বাচ্চারা স্কুল ছুটির পর দুজন দুজন করে শিক্ষকের নেতৃত্বে রাস্তা পার হয় কোন বিশৃঙ্খলা অস্থিরতা বা হইচই নেই।
খুব সুন্দর দেখতে কিছু মিশনারি স্কুল আছে বিভিন্ন জায়গায়। আবাসিক হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে অনেকে সন্তান পড়তে পাঠায় ওখানে।
নিরিবিলি পাহাড়ি রাস্তায় পায়ে হেঁটে চললেও অনাবিল আনন্দ হয়। উঁচুনীচু আঁকাবাঁকা পথ, সবুজ আর নীলের সমারোহ। মোলায়েম বিশুদ্ধ বাতাস।
ওদের পাহাড়িরা পরিচ্ছন্ন রাখে নিজেদের আসেপাশের পরিবেশ।
অত উঁচুতে ফুটবল স্টেডিয়াম, চিড়িয়াখানা আছে। চিড়িয়াখানায় বিপজ্জনক প্রাণীগুলো ছাড়া অন্য প্রাণীগুলো খুব একটা খাঁচায় বন্দি নেই। বেশ খোলামেলা।
এপ্রিল থেকে জুন সবচেয়ে ভালো সময় দার্জিলিং ভ্রমণের জন্য। ওই সময় আবহাওয়া সবচেয়ে ভালো থাকে। অন্য সময় কখনো বৃষ্টি বা কখনো বরফ। বৃষ্টি বেশি হলে ভূমি ধ্বস হবার সম্ভাবনা থাকে; আবার বরফ বেশি হলে সম্ভাবনা থাকে দিনের পর দিন আটকে যাবার।
ঢাকা থেকে বাসে চ্যাংড়াবান্ধা ইমিগ্রেশন পয়েন্ট দিয়ে ঢুকেছিলাম। সেখান থেকে শিলিগুড়ি গিয়েছিলাম লোকাল বাসে চড়ে। শিলিগুড়িতে আমরা এক রাত ছিলাম। পরদিন সকালের রওয়ানা দিয়েছি দার্জিলিং এর উদ্দেশ্যে। ওখানে যেতে হয় পাহাড়ের চড়ার উপযোগী গাড়ি নিয়ে। মাহেন্দ্র বুলেরো বা টাটা সুমো গাড়ি দাড়িয়ে থাকে শিলিগুড়ি মোড়ে। আমরা পাঁচ বন্ধু মিলে দামাদামি করে একটা গাড়ি নিয়েছিলাম। শেয়ার করেও যাওয়া যায়। শিলিগুড়ির সমতল পেরিয়ে শুরু হল আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তায় চলা হল অনেক্ষণ। পাহাড়ি রাস্তা হওয়ায় ঘুরে ঘুরে উপরে উঠতে হয়। উপরের দিকে উঠে গেলে পিছনে তাকালে রাস্তাগুলোকে নদী মনে হয়। পথে অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখতে দেখতে চলা। রাস্তার একপাশে পাহাড় অন্যপাশে নীচে গভীর খাড়া। ভয় আর রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। অনেক ঘুরে অবশেষে নামিয়ে দিয়েছে মল চত্বরে। ওটাই ভাড়া গাড়ির শেষ গন্তব্য।
যেসব জায়গায় গিয়েছিলামঃ
টাইগার হিল অবজারভেটরি
রক গার্ডেন
গঙ্গা মায়া পার্ক
গুরখা ওয়ার মেমোরিয়াল, বাতাসিয়া লুপ
পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জিওলজিকাল পার্ক
তেনজিং রক এইচএমআই (টুরিস্টদের জন্য সহায়তা নিয়ে পাহাড়ে চড়ার ব্যবস্থা আছে।)
বিগ বাজার হাইপার মার্কেট
গোরখা স্টেডিয়াম
খুব সুন্দর সুন্দর চা বাগান (চায়ের দোকানগুলোতে চা কেনা যায় বিভিন্ন মানের। খুব সুন্দর প্যাকেজিং এর গিফট প্যাকও বিভিন্ন দামের আছে।)
মিরিক লেক
হিমালয়ের পাদদেশে কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতের পটভূমিতে অবস্থিত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এই শহরটি বৃটিশরা তাদের গ্রীষ্মকালীন অবকাশযাপন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছিল। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭,০০০ ফিট উপরে অবস্থিত। টাইগার হিল চূড়ার উচ্চতা ৮,৫০০ ফিট। শুনেছি এটা দার্জিলিং এর সর্বোচ্চ পয়েন্ট।
আবহাওয়া খুব ভালো ছিল। ময়লা হতো খুব কম কাপড়। ঘাম হয় না। প্রয়োজন হয়না বলে হোটেলের রুমে ফ্যান ছিল না। শহরটা বেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। আবর্জনা চোখে পড়েনি। সব বাড়ির সামনে ফুল গাছ। উজ্জ্বল বর্ণের হরেক রঙের। মাঝে মাঝে মেঘের আলতো ছোঁয়া মুখে এসে লাগে। অসাধারন অনুভূতি।
I want to inform you that, i just released your post from spam quarantine.
Our filter is working to protect the community and you, from unwanted content, but sometimes it can be triggered by something and remove a legitimate post. Moderators are patrolling the quarantine to release the good post so, if your post has been rejected, don’t post it again. Simply tag a moderator (check here and here ). For more information you can read: Why was my Connect post marked as spam
I see that you posted two identical posts due to the first one that got caught by our spam quarantine. I will merge both posts into one to keep the discussion in one place while keeping Connect organized.