আন্ধারীঝাড় ইউনিয়ন।
নাম শুনেরই মনে হবে এখানে অন্ধকারের রাজত্ব। কিন্তু বাস্তব চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন! এখানে এখন অন্ধকারের কোনো ছিটেফোঁটাও নেই! আন্ধারীঝাড় এখন অনেক উন্নত। কী নেই এখানে! এখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মাণ অনেক উন্নত। মাত্র দুই দশক আগে যেসব পরিবার তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণে অক্ষম ছিলো তারা এখন তাদের পরিবেশ এবং জীবন্যাত্রার মাণ উন্নত করতে সক্ষম হয়েছে। দুই দশক আগে এখানে কোনো পাকা রাস্তা ছিলো না! এমনকি দু’একটা এলাকা ছাড়া রাস্তার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর ছিলো! সম্পূর্ণ ইউনিয়ন অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল। বিদ্যুৎ সংযোগ ছিলো না এবং বাঁশঝাড় দিয়ে এলাকাটি পরিপূর্ণ ছিলো। কিন্তু এখন এই ইউনিয়নের প্রায় সকল রাস্তা পাকা এবং এই ইউনিয়নের শতকরা ৭০-৮০% মানুষের বাড়ি ইটের তৈরি। বাকি ২০-৩০% মানুষের বাড়ি টিন এবং কাাঠ দিয়ে তৈরি। খড় বা ছনের তৈরি বাড়ি শুন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। এছাড়াও বাজারের বুকে গুটিকয়েক বহুতল ভবন আকাশের দিকে উঁকি মারে। এখানে রয়েছে বেশ কিছু বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান যেসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করে এসব এলাকার দরিদ্র জনগণ জীবন ধারণ করে। এই ইউনিয়নে অনেকগুলো মাদ্রাসা এবং ১৭টি প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। এছাড়াও এই ইউনিয়নে ২টি হাই স্কুল এবং একটি গার্লস স্কুল রয়েছে। আছে ৩টি দাখিল মাদ্রাসা। আন্ধারীঝাড় বাজারে পাওয়া যায় সফল ধরনের প্রয়োজনীয় পণ্য এবং মালামাল।
