আমাদের ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলায় মাটির দুইতলা বাড়ি একসময় সবারই ছিলো কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার ছোয়ায় ঐতিহ্যবাহী এই মাটির বাড়িগুলো ভেঙে নির্মাণ করা হচ্ছে দালানকোঠা।
এক সময় আমাদের গ্রামের সব বাড়ি ছিলো মাটির তৈরি। ধনী গরীব সবারই মাটির তৈরি ঘর। মাটির ঘরে ঘুমালে যে কত শান্তি লাগে যে মাটির ঘরে ঘুমিয়েছে সেই জানে।।
অনেকে সুন্দর এইসব বাড়িঘর রেখে শহড়ে বসবাস করে যার কারনে অযত্নে নস্ট হয়ে যাচ্ছে।এই ঘড়গুলো নির্মাণ করতে প্রয়োজনীয় উপকরণ ছিলো।
১।মাটি ২।কাঠ ৩।বাঁশ ৪তাল গাছের কাঠ ৫।টিন।
এই ঘরগুলোর দেওয়াল হয় মাটির আর ২য়তলায় দেওয়া হয় কাঠের পাটিশন। এই ঘর এর মেজে থাকে মাটির। আর ২য়তলার মেজে থাকে কাঠের। ২য়তলায় ওঠার জন্য কাঠ দিয়ে মই তৈরি করা হয়। ওপরে টিন দিয়ে চাল দেওয়া হয়। ঘরেরর বিতর আলো ঢুকার জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে জানালা ও দরজা দেওয়া হয়।।
টিন থেকে যাতে রৌদের তাপ না লাগে তাই তালগাছের ধন্যার ওপর বাঁশের সিলিং দেওয়া হয়।
মাটির ঘরে শীতকালে ঠান্ডা কম লাগে আবার গরমের সময় গরম কম লাগে।
এই দিক দিয়ে অনেক ভালো। মাটির ঘরে ঘুমানো অনেক শান্তি। বৃষ্টির সময় মাটির ঘরে বৃষ্টির শব্দ অনেক ভালো লাগে। আধুনিকতার ছোয়ায় আজ গ্রামের মাটির ঘর বিলুপ্ত প্রায় গ্রামগুলো আজ শহরে রূপান্তর হচ্ছে।।





