ঘুরতে সবাই ভালোবাসে, তাও যদি হয় পাহাড় ও লেক এর মিলন স্থানে।
জি, আমি আজ আপনাদের বলবো, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর কৃত্রিম লেক মহামায়া লেক সম্পকে।
মহামায়া লেক এর পাশে আছে বিশাল পাহাড়ি বনাঞ্চল।
বাংলাদেশের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে অন্যতম এই লেক।
চট্টগ্রামের যেসব উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান রয়েছ, তার মধ্যে মহামায়া অন্যতম । প্রতিদিন হাজার হাজার দর্শনার্থী ঘুরতে আসে এই লেকের পাড়ে।
ঘুরতে গিয়ে যা যা দেখবেনঃ
মহামায়া লেক এ প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে, লেক এর মাঝখানে ছোট ছোট পাহাড়ি টিলা।
স্পীলওয়ে, ইনটেক স্ট্রাকচার, মাটির ড্যাম ও এপ্রোচ এগুলো প্রধান অঙ্গ। লেকটিতে ১টি রাবার ড্যাম ও ২টি রেগুলেটর আছে।এছাড়া ও রয়েছে ছোট-বড় মিলিয়ে ২০ টি পিকনিক স্পট।
এখানে প্রায় ৩০০ অধিক বন্য ও ঔষধি গাছপালা ও উদ্ভিধের সংরক্ষন করা আছে।
পুরো লেক ঘুরে দেখার জন্য অসংখ্য প্যাডেল বোড, ইঞ্চিন বোড ভাড়ার বিনিময়ে ব্যবহার করা যাবে।
মহামায়া লেক এর অবস্থানঃ
প্রকৃতির নয়াভিরাম সৌন্দর্য্য মহামায়া লেক
চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায় অবস্থিত মিরসরাই মহামায়া লেক।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশের কিছুক্ষন পরে রাস্তার বাম পাশের এই লেকের অবস্থান। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এর অধিনে সেচ প্রকল্প হিসেবে পরিচালিত। ২০০৬-২০১০ইংরেজী এর মাঝামাঝি বাস্তবায়ন করা হয়। সর্বমোট ৩৩৬০.০০ হেক্টর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। ২৬.৮৩ মিঃ জল ধারণ সম্পন্ন লেকটি ১০৭০হেক্টর জায়গা জুড়ে জলাশয় নিয়ে অবস্থিত। এখানে প্রাকৃতিক উপায়ে মাছ চাষ করা হয়।
যাতায়াত ভাড়া ও লেকে প্রবেশ মূল্যঃ
ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের এসি বাসের টিকিট ১২০০-২৫০০ টাকা ও কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম ৬০০-১০০০ টাকা নিবে এবং ননএসি বাসে ঢাকা থেকে ৮০০টাকা ও কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রাম ৫০০টাকা। মিরসরাই বাজার থেকে লেকের মেইন গেইট পর্যন্ত ভাড়া ৭০–১০০ টাকা দিয়ে যাওয়া যায়। অটো ও CNG দিয়ে যাতায়ত করা যায়।
প্রবেশ মূল্য হিসেবে ৫০টাকা নির্ধারণ করা আছে।
মহামায়া লেকে
:manual_wheelchair:হুইলচেয়ার
:manual_wheelchair:নিয়ে প্রবেশের সুযোগ আছে।






