আমরা ৩১ আগস্ট ২০২২ সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে নিলাম।নাস্তা সেরে ডাল গেট এলাকা থেকে মিনি বাস এ করে আমরা বাটমালু গিয়ে নামলাম ,ভারা জন প্রতি ১০ রুপি করে । বাটমালু থেকে আবার মিনি বাসে তাংপোর গিয়ে নামলাম ,ভাড়া ১০ রুপি করে জনপ্রতি। তাংপোর থেকে শেয়ারিং গাড়িতে করে তানমার্গ নামলাম এখানে ভাড়া নিলো জনপ্রতি ১০০ রুপি করে।এবার তানমার্গ থেকে শেয়ারিং গাড়িতে করে গিয়ে নামলাম আমাদের আসল গন্তব্য গুলমার্গ ভারা জন প্রতি ১০০ রুপি করে।
এখানে কিছুটা পথ পায়ে হেটে ক্যাবল কার এর টিকেট ঘরে পৌঁছলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমরা ওখানে টিকেট পেলাম না। পিছনে ঘুরে দেখলাম আমাদের সাথে গাড়িতে করে আসা স্থানীয় দুই মেয়ে এক লোক দিয়ে মোবাইল এর মাধ্যমে টিকেট করে নিচ্ছে। মেয়ে দুটোর সাথে কথা বলে আমরাও টিকেট করে নিলাম ৮০০ রুপি করে।এবার আমাদের আকাশের পানে ছুটে চলার পালা। আমরা সিরিয়াল দিয়ে ক্যাবল কার এ র দিকে এগিয়ে গেলাম। ৪ জন করে একটি কার এ উঠলাম । ধীরে ধীরে কার উপরের দিকে উঠতে লাগলো। এবার প্রকৃতির সৌন্দর্য্য উপভোগ করার পালা। আসলে চারিদিকে চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য ছরিয়ে রয়েছে। সবুজ গাছপালা,পাহাড়, বিস্তীর্ণ তৃণভূমি , এর সৌন্দর্য্য বর্ণনাতীত। শেষে আমরা গুলমার্গ এর ১ম ফেইস এ পৌঁছলাম।
এখনে এসে দেখলাম সৌন্দর্য্য যেন আরও বেরে গেছে। দিগন্ত জোরা ঢেউ খেলানো তৃণভূমি আর সারি সারি পাইন গাছ এর সৌন্দর্য্য অসাধারন।এখানে পাহাড়ের পাদদেশে বেশ কিছু দোকান আছে। আর এক পাশে অনেক ঘোড়া রয়েছে। ঘোড়া গুলো ভাড়া দেয়া হয়। ৭০০ রুপি দিয়ে দুটো ঘোড়া ভাড়া নিয়ে আমরা ঘুরে বেড়ালাম। এখানে একটি সরু ঝর্না রয়েচে।ঝরনার পাশে দুটো তাবু টাঙানো দোকান আছে। এখানে আমরা কাশ্মীরী স্পেসাল চা (কাওয়া) ও নুডলস খেয়েছি। তারপর আমরা ক্যাবল কার এ করে নিচে ফিরে আসি।
গুলমার্গ থেকে আমরা শেয়ারিং গাড়িতে করে তানমার্গ ,তানমার্গ থেকে মান্ডি,মান্ডি থেকে শ্রীনগর ফিরে আসি। আসার সময় ও ভাড়া আগের মতই লেগেছে।এভাবে আমি আর আমার খালাত ভাই ,বরফের রানী গুলমার্গ খুব কম খরচে ঘুরে এলাম।

