আমি আর আমার খালাতো ভাই বাংলাদেশ থেকে কোলকাতা হয়ে কাশ্মীর যাওয়ার বিস্তারিত লিখছি । ঢাকার কেরানীগঞ্জ এর কদমতলী থেকে সকাল ৭ টার বাসে (৭০০ টাকা) বেনাপোল ১২ টায় পৌছে খাওয়া দাওয়া সেরে রেস্ট নিলাম।১.৩০ মিনিটের দিকে রওয়ানা হলাম আবার। ইমিগ্রেশন কাস্টমস দুপাশে মিলে ১০ মিনিটের মত লেগেছিল। পেট্রাপোল থেকে ৫০ রূপি করে অটো তে বনগাঁ রেল স্টেশন।
বনগাঁ ষ্টেশন থেকে ২০ রূপি তে ট্রেনে করে দমদম স্টেশন, দমদম মেট্রো স্টেশন থেকে ১৫ রূপি করে মেট্রোরেল এ করে এসপ্লানেড মেট্রো স্টেশন। এখানে নিউমার্কেট এলাকায় কাজ সেরে, খাওয়া দাওয়া করে আমাদের জন্য রাখা ভারতীয় মূদ্রা,সিম কার্ড নিলাম।
নিউ মার্কেট এলাকা থেকে বাসে ১০ রূপিতে হাওড়া স্টেশন। স্টেশনে ১০ রূপি ঘন্টা প্রতি উচ্চশ্রেণির প্রতিক্ষালয়ে অপেক্ষা করলাম। (আমরা কলকাতায় হোটেল বুক করি নি,কারন রাতের ট্রেনে রওয়ানা হব) এখানে ১০ রূপির বিনিময়ে গোসল সারলাম। এরপর
( আমার ইউটিউব চ্যানেলে আমাদের কাশ্মীর ভ্রমণের দৃশ্য )
রাত ১১ঃ৫৫ (২৭/৮/২২) মিনিটে ট্রেন যাত্রা শুরু করল।তারপর পর্যায়ক্রমে রাত দিন পার করে ২৯/৮/২২ বেলা ১ টার দিকে জম্মু তাওয়াই রেল স্টেশন এ নামলাম। স্টেশনে নেমে খাওয়া দাওয়া সারলাম। এখান থেকে অটো (৩০০ রূপি) করে জেনারেল বাস স্টেশন পৌছলাম (বাস এ করে অনেক কম খরচেও যাওয়া যায়) ।এখানে দামাদামি করে জনপ্রতি ৬০০ রূপি করে কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগরের উদ্যেশ্যে রওয়ানা হলাম তাভেরা গাড়ি করে। গাড়ি তে ৮/৯ জন যাত্রী নেয়।
( হাওড়া ষ্টেশনে ট্রেন এ চড়ার পর)
যাত্রা পথে খাওয়া দাওয়া সারলাম ১২০ রূপিতে (রজমা চাউল ও রিসতা দিয়ে)। সবশেষে আমরা ১১/১১.৩০ এ শ্রীনগরের টি,আর,সি ( টুরিস্ট রিসিপশন সেন্টার) এর সামনে নামলাম।
আজকে এ পর্যন্ত শেষ করছি। ইনশাআল্লাহ কাশ্মীর ভ্রমণের পরের বিবরণ আবার কোনো একদিন আপনাদে সাথে শেয়ার করব।


