মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী—ভারতের জাতির জনক। তিনি মহাত্মা গান্ধী, বাপুজি ও গান্ধীজি নামে পরিচিত। ১৯৪৬ সালে অক্টোবর মাসে যখন নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংগঠিত হয়, তখন তিনি দাঙ্গা নিবারণ ও ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনতে তিনি নোয়াখালীতে আগমন করেন। প্রায় চার মাস যাবত নোয়াখালী,লক্ষীপুর ও চাঁদপুরের বিভিন্ন গ্রামে তিনি ভ্রমণ করেন।
Museum building, Gandhi Ashram Trust.
ভ্রমণকালে ২৯শে জানুয়ারি ১৯৪৭ ইং তারিখে তিনি জয়াগ গ্রামে আগমন করলে এখানকার জমিদার তৎকালীন নোয়াখালীর প্রথম ব্যারিস্টার হেমন্ত কুমার ঘোষ তার স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি তার পিতা-মাতার নামে একটি ট্রাস্ট গঠন করে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমাজসেবা কাজ করার জন্য মহাত্মা গান্ধীকে দান করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে এটাকে ‘গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট’ নামকরণ করা হয়।
Gandhi Ashram Trust gate.
Mahatma Gandhi Statue. Gandhi Ashram Trust.
এখানে গড়ে ওঠেছিলো ‘গান্ধী শান্তি ক্যাম্প’। গান্ধিজী বাড়ির পাশে একটি কারিগরি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। যা এখন ‘গান্ধী মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউট ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ নামে পরিচালিত।
Entrance to ashram area
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট বিশাল এরিয়াজুড়ে একটিসবুজ-শ্যামল গ্রামের মতোই। প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে গান্ধিজীর বিভিন্ন বাণীসম্বলিত প্লেকার্ড।
আশ্রম এলাকায় প্রবেশে কোনো টিকেটের প্রয়োজন হয় না। ভেতরে গান্ধিজীর নামে ‘গান্ধী আশ্রম স্মৃতি জাদুঘর’ রয়েছে। জাদুঘরে গান্ধীজির তৎকালে নোয়াখালী সফরের শতাধিক ছবি, ব্যবহৃত জিনিসপত্র ও প্রকাশিত লেখা সংরক্ষিত আছে।
Map and schedule of Mahatma Gandhi’s peace march.
A tree in front of the museum building.
জাদুঘরে প্রবেশমূল্য- ২০টাকা।
সারাদেশের যেকোনো জায়গা বা ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী বাসে চড়ে ‘সোনাইমুড়ী’ নেমে সেখান থেকে সিএনজিতে জয়াগবাজার। আর জয়াগ বাজার দুয়েক মিনিট হাটার দুরত্বে গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট
I’m in front of the museum building.









