সাগরকন্যা কুয়াকাটা ভ্রমণ।

ফটো: সূর্যাস্ত।

হঠাৎ করেই গত সপ্তাহে সিদ্ধান্ত নিলাম কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ভ্রমন করবো। যেই কথা সেই কাজ। রাতে পরিকল্পনা করে ভোরেই রওনা দিলাম কোয়াকাটার উদ্যেশে।

সবার আগে আমরা মহাখালী থেকে সায়দাবাদ রওনা দিলাম বাসে করে। সায়েদাবাদে গিয়েই বাসের টিকিট কেটে নিলাম পটুয়াখালী আমতলীর জন্য। ৬৫০ টাকা করে বাসের টিকিট কাটলাম। বাস ছেড়ে দিল পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে। পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে আমরা চলে গেলাম বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলায়। পটুয়াখালী জেলার আমতলী উপজেলায় নামার পর আমরা অটো করে ১৫০ টাকা দিয়ে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পৌঁছলাম। প্রথমে আমরা সমুদ্র বিচে চলে গেলাম। কিছু ফটোশুট করে নিলাম। তারপর অতি তাড়াতাড়ি একটি হোটেল ভাড়া করলাম। একদিনের জন্য ৬০০ টাকায়।

হোটেলে ব্যাগ পত্র রেখে একটু ফ্রেশ হয়ে আবার সমুদ্র বিচে চলে গেলাম। বিচে গিয়ে সমুদ্রে সূর্যাস্ত উপভোগ করলাম। রাত হয়ে গেলো সমুদ্রে অনেক মজার সময় উপভোগ করলাম ও ফানুস উড়ালাম।

ফটো: সমুদ্রপাড়ে ফানুস হাতে আমি।

ফটো: সমুদ্র পাড়ে টুকানো ঝিনুক।

ফটো : ঝিনুকে কারুকাজ করা আমার নামের প্রথম অক্ষর “K”

ফটো: সমুদ্রের পার ভাঙ্গা রোধ করার জন্য বস্তাভর্তি মাটি রেখে দেয়া সমুদ্রপাড়।

তারপর আবার আমরা রাতের খাবার দাবার খেয়ে হোটেলে চলে গেলাম। পরদিন সকাল ভোরে আমরা রওনা হলাম ত্রিমোহনা ( তিন নদীর মোহনা)। একটি অটোভ্যান রিজার্ভ করে আমরা ত্রিমোহনা রওনা করি। সেখানে যাওয়ার পূর্বে আমরা আরও কয়েকটি স্পট পাই।

ফটো: শুঁটকি পল্লী।

ফটো: লাল কাকড়া পল্লী ও শুঁটকি পল্লী।

ফটো: সমুদ্রের কাকড়া ।

ফটো: সাগরের পানিতে টিকে থাকা কিছু গাছ।

ফটো: সাগরে মাছ ধরার জাল ও নৌকা।

ত্রিমোহনা থেকে ফেরত আসলাম আবার সমুদ্র বিচে। সমুদ্রের পানিতে একটু দৌড়াদৌড়ি লাফালাফি করে উপভোগ করলাম।

ফটো: জেলেরা মাছ ধরার জন্য প্রস্তুত। সমুদ্রে নৌকা নামাচ্ছে।

সেই নৌকাতে আমিও ধাক্কা দিয়েছিলাম জেলেদের সাথে একটু আন্তরিকতা তৈরি করে তাদের নৌকায় আমিও উঠে পড়লাম। জেলে মামার সাথে গল্প করলাম অনেকক্ষণ। মামাটা ভালো রসিক ছিলো।

ফটো: মাছ ধরার জাল সহ নৌকায় অবস্থানরত আমার সেলফি।

ফটো: আমার সেলফি।

ফটো: সমুদ্র পাড়।

সব ঘোরাঘুরি করার পর আমরা সেদিনই বিকেল বেলায় আমতলী রওনা করলাম ঢাকা আসার উদ্দেশ্যে। আমতলী আসার পর আমরা লঞ্চের টিকেট কাটলাম। লঞ্চে আমরা কেবিন নিলাম ৮০০ টাকা স্টাফ কেবিন। জীবনের প্রথম লঞ্চ ভ্রমণ সেদিনই। লঞ্চে করেই আমরা সূর্যাস্ত দেখতে পেলাম। এত সুন্দর পরিবেশ বলে বুঝানোর মতো না।

ফটো: সূর্যাস্ত উপভোগ লঞ্চে অবস্থানরত।

ফটো: জেলেরা মাছ ধরে ফেরত যাচ্ছে।

ঘুমিয়ে পারলাম একটা লম্বা যাত্রা শেষ করে পরের দিন সকাল ৬টার সময় আমরা সদরঘাট পৌছালাম। তারপর সদরঘাট থেকে আজমেরি গ্লোরী বাস দিয়ে মহাখালী আসলাম।

এখানেই সমাপ্তি হয়েছে আমার ভ্রমনের।

সবমিলিয়ে বরিশাল বিভাগের মানুষ দের জন্য একটি ভালো ধারণা জন্মালো।

সকলেই ক্ষমা স্বরূপ দৃষ্টিতে দেখে মন্তব্যের মাধ্যমে আমাকে জানাবেন।

36 Likes

Valo likhecen @KhokonSharker

thank you sharing with us

1 Like

@Papel_Mahammud Thanks Bhai.

1 Like

@KhokonSharker ভাই ছবি ও বিস্তারিত লেখা অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন, যদিও আমি কখনো কুয়াকাটা যাইনি আপনার পোস্ট দেখে ভ্রমণের, আগ্রহ অনেক বেড়ে গেল ইনশাল্লাহ সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ঘুরে আসবো, ভবিষ্যতে আরও পোস্ট চাই।

2 Likes

@nurealam123 ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এই ভ্রমণ আমার দক্ষিণবঙ্গের প্রথম ভ্রমণ ছিল। ভবিষ্যতে আরো অনেক ঘোরাঘুরি করে পোস্ট করব ইনশাল্লাহ।

খুব সুন্দর লিখেছেন ভাইয়া।

1 Like

@Sajib_Das অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। আপনার প্রশংসা মিশ্রিত মন্তব্যের জন্য।

1 Like

@KhokonSharker well written and photos are just awesome!

Keep Sharing!

Happy Guiding!

1 Like

Thanks @ShafiulB Bhaia, for your lovely comment.

1 Like

W0W!!!

So great hand writing and nice story. Thank you so much @KhokonSharker brother.

1 Like

@Mohammadalauddin Bhaia Thank you so much. For your lovely comment.

1 Like

চমৎকার। লিখেছেন। +ছবি দিয়েছেন।

1 Like

@monzurulislam Thanks Bhaia. For your lovely comment.

1 Like

বছরের শেষে ভালই একটা টুর দিয়েছেন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে সুন্দর পোস্ট শেয়ার করার জন্য

3 Likes

@MS_Pathan ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনার অনুপ্রেরণা মূলক মন্তব্যের জন্য। এই বছর বেশ কয়েকটি ট্যুর দিবো ইনশাআল্লাহ। পাড়ি জমাবো দেশের বাহিরে বিশ্বভ্রমনে, ইনশাআল্লাহ। দোয়া করবেন ভাই।

2 Likes