ঘুরে এলাম রহিমপুর গ্রাম(ভারত)!
নো পাসপোর্ট নো ভিসা এই শিরোনামে বেশ কিছুদিন আগে টিওবি তে একটা পোস্ট দেখেছিলাম তখনি ভেবেছি সময় করে একদিন যাব। অবশেষে ঘুরে এলাম গতকাল!
যেতে চেয়েছিলাম বরিশাল কিন্ত বৃহস্পতিবার এর ঝর বৃষ্টি তা বাতিল করি কিন্তু বাসা থেকে যখন বের হয়েছি ভ্রমন পিপাসু মন কি আর তা মানে তাই আমি আর ভ্রমন সংগী সবুজ দুজন মিলে উঠে পরলাম কুমিল্লার বাসে। রাত তখন ১১:১৫ আর যখন কুমিল্লা বিশ্ব রোড (চৌ রাস্তা) গিয়ে বাস থেকে নামি তখন বাজে ২ টা।
রাতের খাবার সারতে সারতে ৩টা বেজে যায় অপেক্ষা করছি ফজরের আজানের আজান শেষ হবার একটু পর বেরিয়ে পরিলাম রহিমপুর এর উদ্দ্যেশে প্রথমে অটো তারপর সি এন জি করে চলে গেলাম শশীদল স্টেশন সেখানে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে। ১০-১২ মিনিট হেটে চলে গেলাম নারায়নপুর (বাংলাদেশ) রহিমপুর (ভারত) বর্ডারে স্থানীয় এক মুরব্বি আমাদের ঘুরিয়ে দেখালেন বর্ডার সংলগ্ন রহিমপুর গ্রাম যদিও বর্ডার থেকে প্রায় পঞ্চাশ গজ দুরে ছিল কাটাতারের বেড়া তাই গ্রামে একটু ডুকতে পেরেছি কিন্তু কাটাতারের সামনে যাবার সাহস করিনি।
টিওবি তে যার পোস্ট দেখে যাবার আগ্রহ হয় তার পোস্টেরর সাথে কিঞ্চিত অমিল যেমন শশীদিল স্টেশন থেকে উনি বলেছিলেন পুবে ৫মিনিট হাটতে হয় কিন্তু আমরা প্রায়১০-১৫ হেটেছি।আর উনি বলেছিলেন গ্রামটিতে হয়ত দেখার কিছু নেই শুধু ভারতীয় আর বাংলাদেশিদের মিলেমিশে একাকার হবার কথা।
কিন্তু আমি বলব এগুলার পাশাপাশি নারায়নপুর গ্রামটা অনেক অনেক সুন্দর শুশীতল বাতাস চারদিকে ধান ক্ষেত আর অপরুপ প্রকৃতি। আর মানুষ গুলো একেবারেই সহজ সরল প্রায় ৩ঘন্টা ঘুরে বেরিয়েছি গ্রামের রাস্তগুলো অসাধারন!
যারা একদিন হাতে সময় নিয়ে কোথাও ঘুরতে যেতে চাইছেন তাদের বলব ঘুরে আসুন মন ভালো হয়ে যাবে।
এক পাশে ভারত এক পাশে বাংলাদেশ ![]()
কিভাবে যাবেনঃ
যদি ট্রেনে যান তাহলে শশীদল স্টেশন নেমে যে কাউকে জিজ্ঞেস করিলেই হবে।
আর যদি বাসে করে কুমিল্লা শহর হয়ে যান তাহলে শহর থেকে অটোতে ইদগাহ। সেখান থেকে সি,এন,জি তে করে শশীদল স্টেশন।
