১৫২ জন লোকাল গাইডের গ্রুপ ছবি
৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেক এর ছবিশুরু থেকেই টান টান উত্তেজনা ছিল। মিট আপের খবর পাই ১২৮ তম মিট আপে যাওয়ার পর। হা পানামা সিটির কথাই বলছি। তখন থেকে মোটামুটি প্ল্যান প্রোগ্রাম স্থির করি যে, যেভাবেই হোক আসব। ঢাকায় যেহেতু মিট আপ, আমাকে চট্টগ্রাম থেকে নিজ কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে আসতে হবে।
ছুটি নেয়াটাই ছিল সবচেয়ে দুশ্চিন্তার। খুব সহজে ছুটি হয়না আমাদের।
তারপরও বাংলাদেশ লোকাল গাইডের ৬ বছর ফুর্তিতে মিট আপের জন্য যখন ফরম ছাড়া শুরু হলো অত চিন্তা না করেই রেজিস্টেশন করে ফেলি। ছুটি পাবো কি পাবোনা সেটা আর চিন্তা করিনি।
কদিন পির ফিরতি ইমেইল পেলাম। মিট আপের জন্য মনোনীত হয়েছি।
উদ্দেশ্য সৎ থাকলে আল্লাহ যে আশা পূরণ করেন সেটা বিশ্বাস করাই লাগবে। এইযে দেখেন, এত কাজের মধ্যেও সত্যিই আল্লাহ তায়ালা সুযোগ করে দিলেন আসার। এতগুলো লোকাল গাইডারদের সাথে মিট হবে সেটা ভেবেই ভালো লাগছিল।
চট্টগ্রাম থেকে রওনা দেই আগের দিন ই। কুমিল্লায় রাতটা বাড়িতে থেকে পরদিন ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম। গাড়িতে উঠার পর সময় যাচ্ছিলনা। কখন পৌছাব কখন পৌছাব এই টাইপ একটা ভাব!
ঢাকায় আসার সময় যাত্রা বিরতির সময়।
শুক্রুবার যেহেতু পথেই জুমার নামাজ পড়া লাগছে। বনশ্রীর একটা মসজিদে নামাজ পড়ে আবার গাড়ি ছাড়ে। মধ্য বাড্ডায় নামি তখন ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি ০১:৫৮ বাজে। হাতে সময় আর এক ঘন্টা দুই মিনিট।
যাই হোক বাসায় গিয়েই ফ্রেস হলাম। আপুকে বললাম খাবার দিতে আরলি! খাবার খেয়েই বের হয়ে গেলাম। পাঠাওতে লোকেশান সেট করে চলে আসলাম মেহেদি ফুড কোর্ট এ। মিট আপের আয়োজোনটা এখানেই।
এসেই প্রথম মুখ দেখি
@Mahabub _munna ভাই কে। আসলে অনেকেই ছিল এখানে! বলেনা চিনা মানুশ চোখে পড়ে বেশি সেরকম ব্যপারটা! ভাইয়ের সাথে দেখা করেই ডানে গিয়ে দেখি @arafat ভাই হ্যান্ড ওয়াশের স্প্রে নিয়ে দাড়িয়ে আছে। মানে সিরিয়াসলি? কিউট লেগেছে জিনিসটা আমার কাছে। সবাই জানি করোনা ভাইরাস এর ভিড় চলছে এখন। সেজন্যই এই কাজটা! আরাফাত ভাইয়ের কাছে হাত পেতে দিলাম আর দু হাতে স্প্রে মেরে দিল।
তারপর রেজিস্টেশন নাম্বার দেখে একটা টি-শার্ট, ৬ বছর BDLG এর কার্ড, বাংলাদেশ লোকাল গাইড এর কার্ড দেয়া হলো, তিনটি (চিকেন শর্মা, চাপ ও লুচি, বার্গার) ফুডের মধ্যে একটির টোকেন দেয়া হলো সবাইকে।
এটেন্ডি কার্ড, লোকাল গাইড স্টিকার, ৬ বছর ফুর্তির স্টিকার
এরপর শুরু হলো ম্যাপ সংক্রান্ত বিভিন্ন টপিক নিয়ে আলোচনা এবং প্রশ্ন পর্ব। বিশেষ করে আসন্ন কানেক্ট লাইভে এপ্লাই করা, কিভাবে ভিডিও তৈরি করবে সেটা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। স্ট্রিট ভিউ নেয়া, কিভাবে রিভিউ লিখবে একটা প্লেসের সে বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
ম্যাপিং সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা সভা এবং প্রশ্নোত্তর পর্ব।
আলোচনার পর্ব শেষ করে বাংলাদেশ লোকাল গাইডের ৬ বছর ফুর্তির জন্য কেক কাটা হলো। উপস্থিত সবাইকেই কেক কেটে খাওয়ানো হলো।
কেক কেটে সবাইকে খাওয়ানোর সময়।
সবশেষে ছিল ফটো তোলার পার্ট। গ্রুপ ছবি, সিংগেল ছবি, ফটো ফ্রেমে সবাইই ছবি তুলেছিল।
ড্রোন দিয়ে ভিডিও এবং ছবি তোলা হয়েছিল সবার।
আমাদের ইভেন্টের স্পন্সোর “অদম্য প্রকাশ” থেকে সবাইকে একটা করে বই এবং ডিসকাউন্ট কার্ড গিফট করা হয়।
অদম্য প্রকাশোনীর গিফট বই এবং দুটি ডিসকাউন্ট কার্ড।
অনেক ইচ্ছের ফলযে বৃথা যায়নি তার জন্য খুবই ভাল লাগল। এত সুন্দর ইভেন্ট, এতগুলো লোকাল গাইডের সাথে এক সাথে হওয়া দিনটিকে আমার কাছে অনেক প্রফুল্ল করে তুলেছে।
বলা হয়নি। আরেকটা মজার পার্ট ছিল। ফানুস উড়ানো। সবাই খুব enjoy করেছে এটা।
ফানুস হাতে ভাব নিয়েছিলাম।
#localguides #letsguide #localguidescunnect
#bdlg
#6yearsofbdlg #131meetup








