বই মেলা শুরু হয় ১৯৭২ সালের ৮ ই ফেব্ররুয়ারী শ্রী চিত্তরঞ্জন সাহা বাংলা একাডেমী তে প্রথম বই মেলার শুরু করেন। এর পরের বছর ১৫ ফেব্ররুয়ারী থেকে ২১ ফেব্ররুয়ারী কয়েক জন প্রকাশক ও বাংলা একাডেমী মিলে বেই বিক্রী শুরু করে।
১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত বাংলা একাডেমী নিজস্ব প্রঞ্জনে কিছু প্রকাশক একত্রিত হয়ে বই বিক্রি করে চলে।তারপর অনেক এদিক থেকে ওদিক হয়ে বর্তমান ”অমর একুশে গ্রন্থমেলা “ নাম হয়ে ১৯৮৪ সাল থেকে প্রতি বছর বই মেলা চলছে আজ পর্যন্ত ।
২০২০ সালের বই মেলার প্রতিপাদ হল ”বিজয়: বায়ান্ন থেকে একাত্তর(নব পর্যায়)। (ছবি)
জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং ২০২১ সালে বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের যাত্রাও শুরু হবে।
এবারের মেলা পাচটি চত্বর আছে। বাংলা একাডেমি অংশ ভাষাশহীদ বরকতের নামে আর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রাঙ্গণ চারটি চত্বর সালাম,রফিক,জব্বর ও শফিউরের নামে নাম করন করা হয়েছে। প্রতিটি চত্বর পাঁচটি রঙ্গে রাঙ্গানো।
বাংলা একাডিমি সহ ৩৯৫ টি প্রকাশনা সংস্থা এই বই মেলায় অংশ গ্রহন করেছে ।
আছে বিশাল একটি শিশু চত্তর ।
লেখক বলছি
গ্রন্থ উম্মোচন
লিটল ম্যাগাজিন চত্বর ১৮০ টি লিটলম্যাগ প্রকাশক স্থান পেয়েছেন ।
বঙ্গবন্ধুর পাঠ
অন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেসকোর ৩০ তম অধিবেশনেএকুশে ফেব্ররুয়ারি কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষনা করা হয়। ২০০০ সাল থেকে দিবস টি পালন করা হয়।
একুশ আসে জানাতে বিশ্বে
ভাষার কতটা মূল্য
ভাষার দাবীতে নেই কোন জাতি
বাঙ্গালীর সমতূল্য।।
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায়
ওরা কথায় কথায় শিকল পড়ায় আমার হাতে পায় ।।
বিনে স্বদেশি ভাষা
মেটে কি আশা।।
মাতৃ ভাষার জন্য আর কোন জাতিকে প্রাণ দিতে হয়েছে কিনা তার কোন ইতিহাস আজ পর্যন্ত দেখা যায় নি। একমাত্র বাংলাদেশের বা তৎকালিন পশ্চিম বাংলার মানুষই ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে। এই ইতিহাস জগতে বীরল। জয় হোক মাতৃভাষার। সবাই তার মায়ের ভাষায় কথা বলুক।





