গত ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯, মঙ্গলবার। সমুদ্রপথে সোনাদিয়া দ্বীপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভাটিয়ারী থেকে ভোরে রওয়ানা হই। সকাল ০৭০০ ঘটিকায় দ্রুত গতি সম্পন্ন বোট ছেড়ে যাবে, এই কারনে ভোর ০৫৩০ ঘটিকায় ভটিয়ারী থেকে রওনা হয়ে ০৬৪৫ ঘটকায় বোট ক্লাবে পৌছে যাই। প্রায় ১০ মিনিটের অল্প সময়ে বোটক্লাবের বাহিরের দিকটা ঘুরে দেখি। খুব সুন্দর চমৎকার একটি যায়গা, ভ্রমন পিপাসুদের জন্য একটি নিরাপদ আবাসিক স্হান। এই যায়গাটার এক পাশে দিয়ে বয়ে গেছে কর্ণফুলি নদী, অন্যপাশে শাহ্ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর এবং শাহীন গলফ ও কান্ট্রি ক্লাব। বোট ক্লাবের পাশ দিয়েই চলে গেছে বিমান বন্দর সরক।
বোট ক্লাবে রয়েছে আন্তর্জাতিকমানের আবাসন ব্যবস্হা, যেখানে দেশী বিদেশী পর্যটক, সীম্যান/শীপস ক্রু ইত্যাদি অনেকেই এখানে নিরাপদে অবস্হান করেন। বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর তত্তাবধানে এই বোট ক্লাবটি পরিচালিত হয় বলে এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্হা খুবই উন্নতমানের।
এখানে রয়েছে একটি অডিটরিয়াম, যেখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের সুব্যবস্হা রয়েছে। সামনে আছে অনেক বড় গাড়ী পার্কিং ব্যবস্হা, একসাথে কয়েকশ গাড়ী পার্কিং সুবিধা। পাশে আছে লকটি রেষ্টুরেন্ট এবং উন্নতমানের খাবার ব্যবস্হা।
নদীর পাশে বোট ল্যান্ডিং ষ্টেশন। সেখানে আছে “Western cruise” নামের একটি ভমন তরী, যাতে করে ভ্রমনকারীরা কর্ণফুলী নদী সহ বঙ্গোপ সাগরের উপকুল এলাকায় নৌ ভ্রমন করা যায়।
রেষ্টুরেন্টে আছে আউটডোরে বসার ব্যবস্হা, যেৎানে বসে উপভোগ করা যাবে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ চলাচলের মসোরম দৃশ্য এবয বিমান বন্দরে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরনের দৃশ্য। সব কিছু মিলিয়ে একটি সুন্দর মনোমুগ্ধকর ভ্রমন স্হান।
এরই মধ্যে আমার হাতের সময় শেষ, অতি তাড়াতাড়ি গিয়ে দ্রুতগামী জাহাজটিতে উঠে পড়লাম এবং ঠিক ০৭০০ ঘটিকায় গন্তব্যের ইদ্দেশ্যে রওনা হয়ে গেল। সময়ের অভাবে ক্লাবের যাবতীয় সুবিধাদি সম্পর্কে জানা হয়নি, পরবর্তীতে একদিন আবার আসব ইনশাআল্লাহ্।
#localguide
#letsguide
#localguidesconnect
#bangladesh.








