পাহাড় আল্লাহতায়ালার এক নয়নাভিরাম উপহার। পৃথিবীর প্রথম মানব হজরত আদম (আ.) এই পাহাড়ের মাঝেই বসতি স্থাপন করেছিলেন। ইতিহাসে সে পাহাড়কে বলা হয় আদম পাহাড়। যেখানে আজও তার পদচিহ্ন আল্লাহতায়ালার কুদরত প্রকাশ করছে। পাহাড় আর প্রকৃতি যেন একে অন্যের সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে। বাতাসে উড়ে আসে শুভ্র মেঘ। পাহাড়ের চূড়া ছুঁয়ে যায় আলতো পরশে। পর্বতের গহিনারণ্য ভেদ করে জেগে ওঠে পূর্ণিমার চাঁদ। তখন রাতভর চলে জোছনার খেলা। পাহাড়ের এ সৌন্দর্য দেখলে মনে হয় এ যেন রূপকথার এক স্বপ্নপুরী।
গাছের ডালে ডালে হাজারো পাখির কলতানে মুখরিত যে পাহাড়ের আঙিনা সে পাহাড়ের আকশছোঁয়া চূড়ায় যেন লুকিয়ে আছে অজানা কোনো রহস্য। তাই বলা যায়, পাহাড় এক রহস্যময় সৌন্দর্যের নাম। আর এই সব সৌন্দর্য শুধুই মানুষের মঙ্গলের জন্য। কেননা পৃথিবীর মূল বিষয়বস্তুই হচ্ছে মানুষ। মানুষ যে ভূম-লের পৃষ্ঠে বিচরণ করছে, তার স্থিতি রক্ষার্থেই আল্লাহতায়ালা পাহাড় সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আর আমি পাহাড়কে পেরেকরূপে সৃষ্টি করেছি।’ (সুরা নাবা, আয়াত : ৭)
পাহাড়ি এলাকায় আসলে যাযা দেখতে পারবেন
- পাহাড়ি বন
- রাবার গাছ
- চা পাতা বাগান
- ধান
- পাহাড়ি বনভূমি
- কাঠ গাছ ইত্যাদি
ক্যাপশনে: পাহাড়ি এলাকায় মাটির ঘর এবং পাশে খড়ের স্তুপ।
পাহাড়ি এলাকায় আসুন পাহাড়ি সৌন্দর্য উপভোগ করুন।
ক্যাপশনে : পাহাড়ি এলাকায় ধান খেত আগাচা পরিস্কার করতেছে দুই কৃষক এবং গরু গাস খাচ্ছে।
আপনারা সবাই পাহাড়ি এলাকায় আসেন ঘুরে যান এবং পাহাড়ি সৌন্দর্য দেখে যান, আপনাদের দাওয়াত রইল।

