গাব একটি মৌসুমি ফল। গাব সাধারনত বাংলাদেশের বিভিন্ন গ্রামে পাওয়া যায়।
গাছের ডালে পাকা গাব ও কাচা গাব
গাব গাছ দেখতে কালো রঙের হয়ে থাকে এবং পাতা সবুজ ও অসংখ্য শাখা প্রশাখা থাকে। গাব গাছ কোন রকম যত্ন ছাড়াই এর বীজ যেখানে পরে থাকে সেখানেই চাড়া গজিয়ে বেড়ে উঠতে থাকে।
দুটি বৃহদাকার গাব গাছ
গাব গাছের পাতা
একটি গাব গাছে ফল ধরতে প্রায়
চার/পাঁচ-৪/৫ বৎসর সময় লাগে।
ইংরেজি মে মাসের শুরুর দিকে এ গাছে ফুল ধরে এবং ফুল থেকে ফল ধারণ করে।
এরপর ফল বড় হতে থাকে এবং পরিপক্ক হতে প্রায় নয়-৯ মাস সময়ের প্রয়োজন হয়।
মার্চ মাসের শেষের দিকে গাব ফল পাকতে শুরু করে।
ছোট অবস্থায় গাব ফল
গাব ফল বড় হওয়ার পরে
ছোট গানগুলো দেখতে অনেক সুন্দর হয়
একসাথে ছোট ও বড় গাব
ছবি তোলার জন্য গাছের উঠেছিলাম আমি।
গাব ফলের স্বাদ মিস্টি জাতীয়।
কাচা অবস্থায় গাবের গায়ে প্রচুর কষ / আঠালো পানি থাকে এবং তা কোন যায়গায় লাগলে কালো দাগ হয়ে যায়।
গাবের কষ / আঠালো পানি দ্বারা জেলেদের জালে ব্যাবহার করে সাদা থেকে কালোতে রুপান্তরিত করা হয় পাশাপাশি জালের সুতা মজবুত হয়।
কাচা গাব
গাব গাছের কাঠও বিভিন্ন কাজে ব্যাবহার করা হয়।
আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে এ গাছ কেউ রোপন করে না। পশুপাখি অথবা মানুষেরা এটা খাওয়ার পরে এর বীজ যেখানে ফেলে দেয় সেখানেই এর চাড়া গজায় এবং কোন রকম যত্ন ও পরিচর্যা ছাড়াই বেড়ে ওঠে এবং সময় মত ফুল ও ফল দেয়।
মাটিতে বীজ পড়ে গজানো কয়েকটি গাবের চাড়া
এটি একটি বুনো গাছ যা বনে / জঙ্গলে হয়ে থাকে। এ কারনে এটা গ্রামে বেশি
পাওয়া / দেখা যায়।
গাবের কিছু ঔষধী গুন রয়েছে।
বিশেষ করে গাবে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট যা সর্দি, জ্বর, কফ-কাশি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। উচ্চমাত্রায় খাদ্যশক্তি থাকায় গাব শারীরিক দুর্বলতা কমায়। গাবেথাকা ক্যালসিয়াম হাড়কে মজবুত করে। রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও গাবগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
একটি পাকা গাব
গাব ফাটানোর পরে ভেতরে অংশ
একটি গাব ফলে সাধারনত আট-৮ টি বীজ হয়ে থাকে। এ বীজ খাওয়ার উপযোগি না।
ফাটানোর পর গাব
গাবের বীজ যা চুষে খাওয়া হয়
বীজ বের করার পর গাবের খোসা
গাব বর্তমানে বিলুপ্ত একটি ফল।
পোস্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
সাথে কুডোস এবং মন্তব্য জানাতে ভুলবেন না
ধন্যবাদ -
#7yearsofbdlg #bdlg #bangladesh
#localguidesconnect
















