Hello dear local guide I’m Mohammad palash From Bangladesh local guide I’m also looking for new places to explore and is always happy to help others plan their trips. They are a valuable resource for anyone looking for information about a particular destination.In continuation of that, I will share an amazing story that I traveled a few days ago,
#photo2 Rows of palm trees"
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামে সারি সারি তাল গাছের একটি দৃশ্য বেশকিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। এই তাল গাছগুলোর ইতিহাস বেশ পুরনো।
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামে একসময় তাল গাছের আধিক্য ছিল। তবে কালের পরিবর্তনে এই গাছগুলো হারিয়ে যেতে থাকে। ২০০৮ সালের দিকে, স্থানীয় একজন ভিক্ষুক গহের আলী নিজ উদ্যোগে তাল গাছ লাগানোর কাজ শুরু করেন। তিনি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে ভিক্ষা করতে গিয়ে তালের আঁটি সংগ্রহ করতেন এবং সেই আঁটিগুলো রাস্তার ধারে রোপণ করতেন।
গহের আলীর এই উদ্যোগে এলাকাবাসীও সহযোগিতা করেন। তারাও তাদের বাড়ির আশেপাশে তাল গাছ লাগাতে শুরু করেন। এভাবেই ধীরে ধীরে ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামে তাল গাছের আধিক্য ফিরে আসে।
বর্তমানে ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামে প্রায় ৫০০০টি তাল গাছ রয়েছে। এই গাছগুলো এলাকার পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এছাড়াও, এই গাছগুলো এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও অবদান রাখছে।
গহের আলীর এই উদ্যোগ প্রশংসিত হয়েছে অনেক মহলে। তিনি ২০০৯ সালে পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখার জন্য জাতীয় পরিবেশ পদক লাভ করেন।
তাল গাছগুলোর ইতিহাস নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে রয়েছে অনেক গল্প ও কিংবদন্তি। কেউ কেউ বলেন, এই গাছগুলো গ্রামবাসীদের জন্য একটি আশীর্বাদ। কেউ কেউ বলেন, এই গাছগুলো গ্রামবাসীদের স্মৃতির ধারক।
যাই হোক, ঘুঘুডাঙ্গা গ্রামের তাল গাছগুলো শুধু একটি প্রাকৃতিক সম্পদই নয়, এটি গ্রামবাসীদের জন্য একটি গর্বের বিষয়ও বটে।
#photo3 Palm trees in the distanc,
#photo4
#photo5
ঢাকা থেকে নওগাঁর নিয়ামতপুর তাল গাছে দেখতে যাওয়ার যাতায়াত ব্যাবস্থা নিম্নরূপ:
বাসে করে:
ঢাকা থেকে নওগাঁর উদ্দেশ্যে প্রতিদিন অসংখ্য বাস ছেড়ে যায়। এসব বাসের মধ্যে সৌদিয়া, এস আলম, হানিফ, শ্যামলী, ঈগল, ডেল্টা, দেশ ট্রাভেলস, তুরাগ, প্রভাতী, দ্রুতযান, মধুমতি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ঢাকার গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী, গুলিস্তান, মিরপুর, উত্তরা ইত্যাদি বাসস্ট্যান্ড থেকে এসব বাসে করে নিয়ামতপুর যেতে পারেন। বাসের ভাড়া জনপ্রতি ৪০০-৬০০ টাকা।
ট্রেনে করে:
ঢাকা থেকে নওগাঁর উদ্দেশ্যে প্রতিদিন দুটি ট্রেন ছেড়ে যায়। একটি হলো দ্রুতযান এক্সপ্রেস এবং অন্যটি হলো একতা এক্সপ্রেস। ট্রেনের ভাড়া জনপ্রতি ২৫০-৩০০ টাকা।
নিজের গাড়িতে করে:
ঢাকা থেকে নওগাঁর দূরত্ব প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে মহাখালী থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়ক ধরে নওগাঁ যেতে পারেন। গাড়িতে করে যেতে সময় লাগে প্রায় ৬-৭ ঘন্টা।
নিয়ামতপুরে পৌঁছার পর:
নিয়ামতপুরে পৌঁছার পর তালগাছ দেখতে যেতে হবে তিলকপুর ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামে। গ্রামের নাম অনুসারে এই তালগাছকে তেলিপাড়ার তালগাছ বলা হয়। গ্রামের মাঠের মাঝখানে এই তালগাছটি অবস্থিত। গাছের উচ্চতা প্রায় ২০০ ফুট। গাছটি দেখতে অনেক সুন্দর।
নিয়ামতপুর থেকে তেলিপাড়া যেতে অটোরিক্সা, ভ্যান বা রিকশায় করে যেতে পারেন। অটোরিক্সার ভাড়া জনপ্রতি ১০-২০ টাকা। ভ্যান বা রিকশার ভাড়া জনপ্রতি ২০-৩০ টাকা।
যাত্রার সময়সূচি:
বাস: ঢাকা থেকে নিয়ামতপুরের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বাস ছেড়ে যায়।
ট্রেন: ঢাকা থেকে নিয়ামতপুরের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন সকাল ৮:০০ এবং রাত ৮:০০ টায় ট্রেন ছেড়ে যায়।
গাড়ি: ঢাকা থেকে নিয়ামতপুর যেতে সময় লাগে প্রায় ৬-৭ ঘন্টা।
যাত্রার টিপস:
যাত্রা শুরু করার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নিন।
সঠিক যাত্রা পথ দেখে নিন।
প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে নিন।
যাত্রা পথে সাবধানে থাকুন।
#Bdlg #Bangladeshlocalguide #Localguidebd #Travel #Localguideconnect #Letsguide





